স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৫০ শতাংশ আসন ফাঁকা রেখে সীমিত আকারে ট্রেন চলাচল শুরু করবে। আগামী বুধবার (১১ আগস্ট) থেকে চালুর সিন্ধান্তের সাথে বেশ কিছু শর্ত দিয়েছে রেল। আসন ফাঁকা রাখলেও কোনো প্রকার ভাড়া বাড়ানো হবে না বলে জানানো হয়েছে। মাস্ক ব্যতীত কোনো যাত্রীকে স্টেশনে প্রবেশ বা ট্রেনে ভ্রমণ করতে দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ রেলওয় কর্তৃপক্ষ তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।

ফেসবুজ পেজে দেওয়া শর্তগুলো হলো, টিকিট কাউন্টার বন্ধ থাকবে, প্রতিটি ট্রেনের টিকিট অনলাইনে বিক্রয় করা হবে। নন কম্পিউটারাইজড স্টেশনের টিকিট কাউন্টার থেকে ক্রয় করতে হবে। অনলাইনে ক্রয়কৃত টিকিট ফেরত দেওয়া যাবে না। কমিউটার ট্রেনের টিকিট যথারীতি নির্দিষ্ট বক্স কাউন্টার থেকে দেওয়া হবে।

ট্রেনে ভ্রমনিচ্ছুক যাত্রীদের নিজ নিজ টিকিট নিশ্চিত করে ট্রেন ভ্রমণের জন্য অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়, সব অগ্রিম টিকিট যাত্রার পাঁচদিন আগে ক্রয় করা যাবে। আসনবিহীন টিকিট বিক্রয় বন্ধ থাকবে। টিকিটবিহীন কোনো যাত্রী স্টেশনে প্রবেশ বা ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারবেন না।

বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া রেলভ্রমন না করতে অনুরোধ জানিয়ে ঘরে অবস্থান ও টিকা গ্রহণ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় গত ২৫ মার্চ থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। তবে মালবাহী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল। পরে সাধারণ ছুটি শেষে ৩১ মে থেকে ৮টি ট্রেন চলাচল শুরু হয়। আবার ২২ জুন যাত্রীবাহী সব ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

এরপর ১ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই সর্বাত্মক লকডাউন থাকায় ট্রেন চলাচল বন্ধের মেয়াদও বাড়ে। ঈদের ছুটির পর প্রথমে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ অগাস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত এবং পরে তা আরও ৫ দিন বাড়িয়ে ১০ আগস্ট পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউনের বিধিনিষেধগুলো কার্যকর হবে বলে সরকারি ঘোষণায় জানানো হয়েছে। সে হিসেবে আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত সব ট্রেন চলাচলই বন্ধ থাকছে।

চট্টগ্রাম বার্তা/পিএ

আরও খবর