তালেবানদের ক্ষমতা দখলের পর আফগানিস্তানে আটকে থাকা এশিয়ান ইউনিভার্সিটির ১৬০ আফগান শিক্ষার্থীকে নিয়ে একটি ফ্লাইট ঢাকায় অবতরণ করবে। সেখানে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে তারা সরাসরি চট্টগ্রামস্থ এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতে আসবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনায় একটি বিশেষ ফ্লাইটে কাবুলে আটকে পড়া বাংলাদেশের ১৪ নাগরিকের সঙ্গে ওই ১৬০ শিক্ষার্থীর বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা করার কথা রয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২০ ঘণ্টার বেশি সময় অনুমতির জন্য কাবুল বিমান বন্দরের বাইরে অপেক্ষা করছেন তারা।

এসব তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ম্যানেজার উইং কমান্ডার ফরহাদ হোসেন খান। তিনি বলেন, ‘আফগানিস্তান থেকে ঢাকায় বিশেষ ফ্লাইট অবতরণ করবে এমনটি আমি জানি। কিন্তু শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রামে কিভাবে আসবে সেটি জানানো হয়নি। বিশেষ ফ্লাইটটি চট্টগ্রামে আসবে না। চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব উইমেনের ১৬০ আফগান শিক্ষার্থী নিজেদের উদ্যোগেও তাদের ক্যাম্পাসে পৌঁছাতে পারে।’

এদিকে তালেবান আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল দখলের পর বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি ২৯ জন বাংলাদেশির আটকে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব উইমেনের ১৬০ আফগান শিক্ষার্থী নিজ দেশে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন। তালেবান দেশটির ক্ষমতা দখলের পর তারাও আটকে পড়েন সেখানে।

এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহা ব্যবস্থাপক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা তাহেরা খন্দকার বলেন, ‘আমরাও জানতে পেরেছি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব উইমেনের ১৬০ আফগান শিক্ষার্থী নিয়ে একটি বিশেষ ফ্লাইট আসবে। কিন্তু কয়টায় এটি ল্যান্ড করবে সেটি আমাদেরও জানা নেই।’

ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামসের তত্ত্বাবধানে উজবেকিস্তানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. জাহাঙ্গীর আলম, আফগানিস্তানে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার দপ্তর এবং চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব উইমেন এই শিক্ষার্থীদের দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

আরও খবর