করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ঘোষিত লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে রাস্তায় যানবাহন ছিল হাতেগোনা, মানুষের চলাচলও ছিল সীমিত। জরুরি সেবা ও পণ্য পরিবহন ছাড়া অন্য গাড়ি রাস্তায় নামেনি। এ যেন শূন্য শহরে নেমেছে রাজ্যের নীরবতা!

২ জুলাই শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় অফিস আদালত, কলকারখানা ছিল বন্ধ। স্বাভাবিকভাবেই শহর ছিল অনেকটা ফাঁকা।

বহদ্দারহাট, নতুন ব্রিজ, কোতোয়ালী, আগ্রাবাদ, জিইসি, মুরাদপুর এলাকায় ঘুরে ব্যক্তিগত গাড়ি তেমন দেখা যায়নি। বন্দর থেকে মালবাহী ট্রাক, লরি নগর ছেড়েছে। কাঁচামালবাহী ও বিভিন্ন জরুরি সেবার কিছু গাড়ি নগরে প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে।

লকডাউন কার্যকরে জেলা প্রশাসনের ৯টি টিম মাঠে কাজ করেছেন। ৫৩টি মামলার বিপরীতে জরিমানা আদায় হয়েছে ১৫ হাজার ৭০০ টাকা। তবে প্রথমদিন ৩৭ মামলার বিপরীতে ১৩ হাজার ৭০০ টাকা আদায় করা হয়েছিল।

সেনাবাহিনীর ২৩ জন অফিসারের নেতৃত্বে ২৩টি টিম মাঠে সক্রিয় ছিলো। জানতে চাইলে টহল কমান্ডার মেজর সাবরিন তাবাসসুম বলেন, রাস্তায় তেমন জনসমাগম ছিল না। ব্যক্তিগত যানও রাস্তায় নামেনি। উৎসুক জনতা জড়ো হওয়ার একটা প্রবণতা ছিল। আমরা তাদের বুঝিয়ে বলার পর তারা আর জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেননি।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) আরাফাতুল ইসলাম বলেন, সারাদিনে ডবলমুরিং থানা ৫টি মামলা করেছে, ট্রাফিক বিভাগ ৫টি মামলা করে ৪টি গাড়ি জব্দ করেছে।

তিনি আরও জানান, লকডাউনের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার ৮৮ মামলা দায়েরের পাশাপাশি গাড়ি জব্দ করা হয়েছিল ৫৪টি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রথম দিনের তুলনা দ্বিতীয় দিনে অনেক কার্যকর ছিল লকডাউন। এমন লকডাউন হলে দ্রুত করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসবে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে সারাদেশে শুরু হয়েছে ‘কঠোর লকডাউন’। চলবে পুরো এক সপ্তাহ।

চট্টগ্রাম বার্তা

আরও খবর