চট্টগ্রামের করোনা শনাক্ত অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল। অথচ, ঠিক আগেরদিনই চট্টগ্রামে করোনা শনাক্তে রেকর্ড গড়েছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় সেটি ভেঙে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ ৯৫৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৬৩৬ জন নগরের অধিবাসী এবং ৩১৯ জন উপজেলার বাসিন্দা। একইসময়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ১০ জনের মধ্যে ৪ জন নগরের ও ৬ জন উপজেলার।

এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল ৬৬ হাজার ৭৮৪ জন। এদের মধ্যে ৫১ হাজার ২৯৭ জন নগরের এবং ১৫ হাজার ১৬৮ জন বিভিন্ন উপজেলার। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৭৯০ জন। যাদের ৫০৪ জন নগরের এবং ২৮৬ জন উপজেলার।

সোমবার (১২ জুলাই) রাতে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদ মতে, এদিন মোট ২ হাজার ৬৪৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৯৫৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শতকরা হিসাবে এ হার ৩৬ দশমিক ০৫ শতাংশ।

সরকারি ল্যাবগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৭৯ জন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ৬৯৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২১০ জন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৪০০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৩০ জন, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ২২৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৮২ জন, জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ৪২ জনের মধ্যে ২৫ জন এবং বিভিন্ন ল্যাবে ৬৫৪ জনের নমুনা এন্টিজেন টেস্টে ২৩৬ জন শনাক্ত হয়। এছাড়া কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাপসপাতালে একজনের নমুনা পরীক্ষা করা হলেও তা নেগেটিভ আসে।

বেসরকারি ল্যাবগুলোর মধ্যে ইমপেরিয়াল হাসপাতালে ১৫১ জনের মধ্যে ৬৮ জন, শেভরণে ১৫৭ জনের মধ্যে ৪৪ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৫২ জনের মধ্যে ৩১ জন এবং ইপিক হেলথ কেয়ার ল্যাবে ১০২ জনের মধ্যে ৬০ জনের করোনা পজেটিভ ফল পাওয়া যায়।

এদিন উপজেলার মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা— সীতাকুণ্ডে ৫০ জন, হাটহাজারীতে ৩৬ জন, রাউজানে ৩৫ জন, ফটিকছড়িতে ৩০ জন, রাঙ্গুনিয়ায় ২৮ জন, মিরসরাইয়ে ২৭ জন, বোয়ালখালীতে ২৬ জন, পটিয়ায় ২১ জন, আনোয়ারায় ১৫ জন, সন্দ্বীপে ১৪ জন, চন্দনাইশে ১১ জন, সাতকানিয়া ও বাঁশখালীতে ৯ জন করে এবং লোহাগাড়ায় ৮ জন শনাক্ত হয়।

এএইচ

আরও খবর