চট্টগ্রামে আরও কমেছে করোনার তেজ। শনাক্তের সাথে কমেছে মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় ৮২ জনের দেহে করোনার জীবাণু শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে নগরের ৪৩ এবং উপজেলা পর্যায়ে ৩৯ জন। অন্যদিকে, করোনায় মারা যাওয়া ১ জন নগরের।

এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনা শনাক্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল ১ লাখ ৭৪৮ জন। এর মধ্যে নগরে ৭৩ হাজার ৫৫ জন এবং উপজেলা পর্যায়ে ২৭ হাজার ৬৯৩ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ইতিমধ্যে ১ হাজার ২৬৫ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে নগরে ৭০২ এবং উপজেলায় ৫৬৩ জন।

শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলার করোনা সম্পর্কিত এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের ১২টি ল্যাব এবং কক্সবাজারের একটি ল্যাবে ১ হাজার ৪৮১ জনের নমুুুুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষায় চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ৮২ জনের।

ল্যাবভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩০ জনকে করোনার জীবাণুবাহক হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। বিআইটিআইডিতে ৫৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৩ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে।

কক্সবাজারে মেডিকেল কলেজে চট্টগ্রামের ৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে কারো করোনা শনাক্ত হয়নি।

চট্টগ্রামের বিভিন্ন ল্যাবে এন্টিজেন টেস্টে ১৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে কারো করোনা শনাক্ত হয়নি।

ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৫৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শেভরনে ৩৯৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ২০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে কারো করোনা শনাক্ত হয়নি। মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে ১৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ইপিক হেলথ কেয়ারে ১০৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং ল্যাব এইডে ১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে কারো করোনা শনাক্ত হয়নি।

এদিন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এবং আরটিএলে নমুনা পরীক্ষা হয়নি।

সিভিল সার্জন আরও জানান, উপজেলা পর্যায়ে শনাক্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী পাওয়া গেছে হাটহাজারীতে। সেখানে ১৬ জনের শরীরে ভাইরাসটির উপস্থিতি পাওয়া যায়। এছাড়া, রাউজানে ১২ জন, রাঙ্গুনিয়ায় ৭ জন করোনা শনাক্ত হয়। এদিন, লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, বাঁশখালী, আনোয়ারা, চন্দনাইশ, পটিয়া, বোয়ালখালী, ফটিকছড়ি, সীতাকুণ্ড, মিরসরাই এবং সন্দ্বীপে কোন করোনা রোগী পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে গত বছরের ৩ এপ্রিল প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ৯ এপ্রিল ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে প্রথম কোনো ব্যক্তি মারা যান।

আরও খবর