চট্টগ্রামে ধীরে ধীরে কমা শুরু করছে করোনার বিষ। গত ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ১৭ জনের দেহে করোনার জীবাণু শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে নগরে ১৩ জন এবং উপজেলা পর্যায়ে ৪ জন। একই সময়ে করোনায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়াল ১ লাখ ১ হাজার ৬৮০ জন। এর মধ্যে নগরে ৭৩ হাজার ৬৪৭ জন এবং উপজেলা পর্যায়ে ২৮ হাজার ৩৩ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ইতিমধ্যে ১ হাজার ২৯৬ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে নগরে ৭১৫ এবং উপজেলায় ৫৮১ জন।

বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলার করোনা সম্পর্কিত এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের ৮টি ল্যাব এবং কক্সবাজারের ১টি ল্যাব মিলিয়ে ১ হাজার ১৮৫ জনের নমুুুুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষায় চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ১৭ জনের।

ল্যাবভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডিতে ৮১২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ১৮৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

কক্সবাজারে মেডিকেল কলেজে চট্টগ্রামের ৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে কারো করোনা শনাক্ত হয়নি।

আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ৩১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আরটিএলে ৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে কারো করোনা শনাক্ত হয় নি। মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে ১৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে, ইপিক হেলথ কেয়ারে ৭৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২ জনের করোনে শনাক্ত হয়েছে এবং ল্যাব এইডে ১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে কারো করোনা শনাক্ত হয় নি।

এদিন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, এন্টিজেন টেস্ট, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল এবং শেভরণে নমুনা পরীক্ষা হয়নি।

উপজেলা পর্যায়ে শনাক্তদের মধ্যে চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়িতে ১ জন করে করোনা শনাক্ত হয়। এদিন চট্টগ্রামের বাকি ১০টি উপজেলায় কোন করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি। সেগুলো হচ্ছে- লোহাগাড়ায়, সাতকানিয়া, বাঁশখালী, আনোয়ারা, পটিয়া, রাউজান, হাটহাজারী, সীতাকুণ্ড, মিরসরাই এবং সন্দ্বীপ।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে গত বছরের ৩ এপ্রিল প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ৯ এপ্রিল ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে প্রথম কোনো ব্যক্তি মারা যান।

আরও খবর