জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক কোচ হাতুরেসিংয়ের আমলে ‘টেস্ট’ ক্রিকেটারে পরিণত হওয়ার পর থেকে শর্টার ভার্সন ক্রিকেটে এক প্রকার ব্রাত্য হয়ে উঠেন মুমিনুল হকের সৌরভ। তবে যখন যেখানেই সুযোগ পেয়েছেন সেখানে সাদা বলে নিজের দক্ষতা দেখাতে ভুল করেননি মুমিনুল। ভুল করেননি চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ‘এ’ দল ও এইচপি দলের মধ্যকার ওয়ানডে সিরিজেও। তুলে নিয়েছেন ঝড়ো সেঞ্চুরি।

অনেকদিন ধরেই টেস্ট নেই বাংলাদেশের। সাদা পোশাকে আবার মাঠে নামতে অপেক্ষা করতে হবে আরও মাস দুয়েক। আগামী নভেম্বরে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। ফাঁকা সময়ে তাই টেস্ট দলের বেশির ভাগ ক্রিকেটার ব্যস্ত এইচপি দলের বিপক্ষে ‘এ’ দলের ওয়ানডে সিরিজে।

বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর ) দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক ‍মুমিনুল হক। ব্যাট করতে নেমে তার ব্যাটে দারুণ শুরু পেয়েছে ‘এ’ দল। এদিন নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ইনিংস উদ্বোধনে এসেছিলেন মুমিনুল।

ইনিংসের ২০তম ওভারে ৬৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন মুমিনুল। ৩০তম ওভারে ৮৪ বলে ৬৭ রানের ইনিংস খেলে শান্ত আউট হলে ১৫৪ রানের উদ্বোনী জুটি ভাঙে।

৩৫তম ওভারের প্রথম বলে আমিনুল ইসলাম বিপ্লবকে বাউন্ডারি মেরে সেঞ্চুরি পূরণ করেন মুমিনুল। লিস্ট এ ক্রিকেটে এটি তার পঞ্চম সেঞ্চুরি। ৪১তম ওভারে ১২১ বল খেলে ১২৮ রান করে মাঠ ছাড়েন তিনি। আমিনুল ইসলাম বিপ্লবের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ১২১ বলে ১২৮ রান করে বিদায় নেন মুমিনুল। ইমরুল কায়েস শিকার হন ‘ডাক’ এর, সাজঘরে ফেরেন শূন্য রানে। এরপর মুশফিকের সাথে দলীয় সংগ্রহ বড় করার দায়িত্ব নেন মোহাম্মদ মিঠুন।

স্লগ ওভারে দুজনই ছিলেন বিধ্বংসী, তবে কেউই দলীয় ইনিংস শেষ করে মাঠ ছাড়তে পারেননি। মুশফিক সাজঘরে ফেরেন ৪৬তম ওভারে। তার আগে ৫৩ বলের মোকাবেলায় করেন ৬১ রান। একই ওভারে মিঠুনকেও সাজঘরে ফেরান রাজা। ১৬ বলে ২৫ রান করে আউট হন মিঠুন। মোসাদ্দেক রান বাড়ানোর চেষ্টা করলেও ১০ বলে ১৩ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন। ৫ বলে ৫ রান করেন নাঈম হাসান।

শেষদিকে রানের গতি কিছুটা শ্লথ হয়ে গেলেও তিনশ ছাড়ায় ‘এ’ দলের স্কোর। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে মুমিনুল-মুশফিকদের পুঁজি দাঁড়ায় ৩২২ রান।

এইচপির পক্ষে ৪২ রানের বিনিময়ে চারটি উইকেট শিকার করেন পেসার রেজাউর রহমান রাজা।

আরও খবর