চট্টগ্রাম থেকে সন্দ্বীপ যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম কুমিরা-গুপ্তছরা নৌপথ। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি জেলেদের জালের কারণে দিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। জেলেরা যেখানে-সেখানে জাল ফেলায় সাগর পাড়ি দেওয়ার সময় যাত্রীবাহী বোটগুলোকে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এসব জালের কারণে অনেকসময় বোটের গতিপথও পবির্তন করতে হচ্ছে। এর ফলে যেকোন মুহূর্তে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

স্পিড বোটের যাত্রী জাবেদ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, বিছিন্ন দ্বীপ সন্দ্বীপ থেকে মূল ভূখণ্ডে যাতায়াতের মাধ্যমটিতে নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই বিষয়ে নিশ্চুপ হয়ে আছে।

রোমান নামের আরেক যাত্রী বলেন, স্পিড বোটে লাইফ জ্যাকেট থাকলেও বেশিরভাগ লাইফ জ্যাকেট ফিটনেসবিহীন। এছাড়া ভাটার সময় হাঁটু পানিতে নেমে আমাদের বোটে উঠতে হয়। আমরা এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই।

এ বিষয়ে ঘাট মালিক মগধরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেন, এর সমাধান হচ্ছে সরকারিভাবে বোট যাতায়াতের একটি নির্দিষ্ট রুটম্যাপ তৈরি করে দেওয়া। জেলেরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নদীতে জাল ফেলে না। ওরা ওদের ইচ্ছেমতো নদীতে জাল মেরে মাছ ধরে।

কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের (সারিকাইত ইউনিয়ন) কন্ডিজেন্ট কমান্ডার মফিজ উদ্দিন বলেন, জেলেদের জালগুলো যেহেতু অবৈধ না সেহেতু আমরা জালগুলো কাটব না। তবে জেলেদের বলে দেওয়া হবে যাতে তাদের জালের জন্যে নৌ-যাতায়াতে বিঘ্ন না ঘটে।

নির্দিষ্ট নৌ-রুটের বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ সালাম বলেন, এ সমস্যা সমাধানে পরিকল্পনা চলছে। আশাকরি আমরা দ্রুত একটি সমাধানে পৌঁছাতে পারব।

তিনি আরও বলেন, ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এ নৌপথে ভয়া বসানো প্রায় অসম্ভব। কারণ এ রুটে সাগরের গভীরতা অনেক। তাই ভয়া বসালে জোয়ার ভাটার সময় নির্দিষ্ট জায়গায় এটি থাকবে না।

আরও খবর