নিরাপদ অভিবাসনের লক্ষ্যে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রত্যাশীর ‘সিমস প্রকল্প’র আওতায় চট্টগ্রামের আটটি উপজেলার ৪০টি ইউনিয়নের প্রান্তিক পর্যায়ে কাজ করছে। জেলার রাঙ্গুনিয়া, রাউজান, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, চন্দনাইশ, পটিয়া, বোয়ালখালী ও আনোয়ারা উপজেলায় কাজ করছে। এছাড়াও দেশের তিনটি প্রধান অভিবাসনপ্রবণ এলাকার ১১৫টি ইউনিয়নে তারা কাজ করছেন।

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে প্রত্যাশীর সিমস প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যাশীর নির্বাহী পরিচালক মনোয়ারা বেগমের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খোন্দকার, মহিলা আইনজীবী সমিতির পরিচালক নাফিস ইমতিয়াজ হাসানসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিবৃন্দ।

প্রত্যাশীর সিমস প্রজেক্টের ব্যবস্থাপক বশির আহম্মদ মনির সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রত্যাশীল পরিচালক সৈয়দ শহীদ উদ্দিন, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন হেলভেটাস বাংলাদেশের সিমস প্রকল্পের টিম লিডার ক্যাটরিন রোজেনবার্গ। সভায় প্রকল্প বিষয়ক প্রেজেন্টশন উপস্থাপন করেন প্রত্যাশীর জেলা সমন্বয়কারি রশিদা খাতুন।

অভিবাসী কর্মী, ফিরে আসা অভিবাসী কর্মী, বিদেশ যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তি ও অভিবাসী পরিবারের সদস্যরা সিমস (স্ট্রেনদেনথ এন্ড ইনফরমেটিভ মাইগ্রেশন সিস্টেমস) প্রকল্প থেকে সরাসরি উপকৃত হবেন বলে সভায় জানানো হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে হেলভেটাস বাংলাদেশের প্রতিনিধি এবিএম ফরহাদ আল করিম বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বিদেশে শ্রম রপ্তানী করে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে। আমরা বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা সরকারের সেই বিশাল কর্মযজ্ঞের সহযোগী হিসেবে কাজ করছি। অভিবাসন নিরাপদ হলে রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়বে। অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে। মানুষের জীবনমান আরও বাড়বে।

সভায় বিদেশগামীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি, নিরাপদ অভিবাসনের সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম তুলে ধরেন স্ব স্ব দপ্তরের কর্মকর্তাগণ।

বিকেটিটিসির অধ্যক্ষ প্রকৌশলী নওরিন সুলতানা, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এম নাসিরুল হক, ইলমার প্রধান নির্বাহী জেসমিন সুলতানা পারু, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের প্রতিনিধি আনারকলিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন।

আরও খবর