নির্জন পাহাড়ে নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মো. মুরাদ হোসেন (৩৩) নামের এক বখাটে যুবককে গ্রেপ্তার করেছে বায়েজিদ থানা পুলিশ। মুরাদ কুলগাঁও মাইজপাড়ার আলী আহম্মদের বাড়ী সাবের আহম্মদের ছেলে।

শুক্রবার (৬ আগস্ট) ভোর সোয়া ৪টায় তাকে আটক করে পুলিশ। এর আগে রাত সাড়ে ১১টায় তল্লাশী শুরু করে পুলিশের তিনটি মোবাইল টিম। রাত আড়াইটায় উদ্ধার হয় ভিকটিম পোশাক কর্মী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান মহানগর নিউজকে বলেন, ভিকটিম পোশাক কর্মী বালুচড়া লয়েল টেক্স গার্মেন্টসে চাকুরী করেন। চাকরি থেকে বাসায় ফিরে খাওয়া দাওয়া শেষ আরেক সহকর্মীসহ ভাড়া বাসা খুঁজতে বের হন। ফৌজি ফ্লাওয়ার মিলের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়গামী রেল লাইন দিয়ে যাওয়ার সময় মুরাদ ও তার এক সহযোগী ভিকটিমদের পথ রোধ করে। মুরাদ ভিকটিমকে মুখচেপে পাহাড়ে তুলে ফেলে। অপর সহযোগী ভিকটিমের সহকর্মীকে মারধর করে।

উদ্ধারকৃত ভিকটিম যুবতীর বরাতে ওসি বলেন, আসামি মুরাদ ভিকটিমকে পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে বিবস্ত্র করার চেষ্টা করে। ভিকটিম জীবন মরণ চেষ্টা করে ধর্ষকের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য আসামীকে স্বজোরে ধাক্কা মেরে পাহাড়ের মধ্যে অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে।

তিনি আরও জানান, নারী পোশাক কর্মীর সহকর্মী আহত হয়েও দৌঁড়ে পালিয়ে প্রধান সড়কে পৌঁছান। তিনি আমাদের মোবাইল টিমকে জানালে আমরা আরও দুটো টিমকে ঘটনাস্থলে পাঠাই। রাত ১২টার আগে শুরু হওয়া অভিযানের এক পর্যায়ে রাত আড়াইটা মেয়েটি পুলিশের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়ে জঙ্গল থেকে বের হয়ে আসেন। আরও দুই ঘন্টা পর গহিন পাহাড়ে তল্লাশী চালিয়ে পাওয়া যায় মুরাদকে।

মুরাদ পেশাদার ছিনতাইকারী। ছিনতাইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকদের নিয়মিত উত্যক্ত করতো। স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় ভিকটিমরা কেউ থানায় অভিযোগ দেওয়ার সাহস পায়না বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম বার্তা/পিএ

আরও খবর