কক্সবাজারের মহেশখালী এবং কুতুবদিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতায় দুই জন প্রাণ হারিয়েছেন। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নের নোয়াপাড়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় একজন নিহত হন।

অন্যদিকে কুতুবদিয়া উপজেলার পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখলের সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গুলিতে একজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার পর দুটি কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে।

মহেশখালীতে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে নিহত হন আবুল কালাম (৪০) নামে এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় আরও সাত জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকাল ১০টার দিকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামাল ও বিদ্রোহী প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থকরা কেন্দ্র দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে এ সময় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে আবুল কালামের মৃত্যু হয়।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই বলেন, কেন্দ্র দখলের চেষ্টার সময় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সাত জনকে কক্সবাজারের জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে।

অন্যদিকে স্থানীয়রা জানান, কুতুবদিয়া উপজেলার পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় গুলিতে স্থানীয় মো. হোসেনের ছেলে আব্দুল হালিম (৩৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালামের এজেন্ট এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কর্মী।

কুতুবদিয়া থানার ওসি ওমর হায়দার নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার পর কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত আছে বলে জানান তিনি।

কুতুবদিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর হায়দার জানান, কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ ইউনিয়নের তিলককাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলি থামাতে গুলি ছোড়ে পুলিশ। এ সময় ত্রিমুখী সংঘর্ষে আবদুল হালিম নিহত হয়েছেন। তার লাশ উদ্ধার করে কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা রয়েছে।

আরও খবর