চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার পূর্ব নাসিরাবাদ এলাকায় নাগিন পাহাড় কেটে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের দায়ে ১৬ ব্যক্তিকে ৩২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদফতর। এছাড়া কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকায় অধিদফতরের ছাড়পত্র ছাড়া বহুতল ভবন নির্মাণের দায়ে পাঁচজনকে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার পরিবেশ অধিদফতরের চট্টগ্রাম কার্যালয়ে শুনানি শেষে এ জরিমানা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন পরিবেশ অধিদফতরের চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ৭ ধারা মোতাবেক এ জরিমানা করা হয়েছে। তারা পাহাড় কেটে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতি করে আসছিলেন। আজ পরিবেশ অধিদফতরে শুনানি শেষে এ জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা আগামী সাতদিনের মধ্যে পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।
২৩ সেপ্টেম্বর পরিবেশ অধিদফতর মহানগর কার্যালয়ের উপপরিচালক মিয়া মাহমুদুল হক, জুনিয়র কেমিস্ট জানোয়ার হোসেন ও পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসাইনের সমন্বয়ে একটি এনফোর্সমেন্ট টিম নাগিন পাহাড় পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে তারা পাহাড় কাটার সত্যতা পান।

পরিবেশ অধিদফতরের এ কর্মকর্তা বলেন, নাগিন পাহাড় কাটার দায়ে মো. শফিউল আলমকে তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা, মো. সাইফুদ্দিনকে দুই লাখ টাকা, মোজাম্মেল হক জাফরকে দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা, নিলুফার বেগমকে দুই লাখ টাকা, আনোয়ার পাশাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়া একই অপরাধে গাজী মীর আহমদকে দুই লাখ টাকা, নুরুল আবছারকে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা, এমদাদ উল্লাহকে দুই লাখ টাকা, শফিউল আলমকে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা, মোহাম্মদ মুছাকে দুই লাখ টাকা, ফিরোজ আহমদকে দুই লাখ টাকা, সাইদুল আলম ইফতিকে দুই লাখ টাকা, মো. জাফর আলমকে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা, ফজলুল রহমানকে দুই লাখ টাকা, আহমদ মোস্তফা ফাহিমকে দুই লাখ টাকা ও মোহাম্মদ শফিককে এক লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

পরিবেশ অধিদফতরের চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরী বলেন, কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকায় পরিবেশের ছাড়পত্র ছাড়া ভবন নির্মাণের দায়ে তাহমিনা আফরোজ চৌধুরীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া, একই অপরাধে ইকরামুলকে ৫০ হাজার টাকা, বোরহান উদ্দিনকে ৫০ হাজার টাকা, তৌফিকুর রহমানকে ৫০ হাজার টাকা ও মাহাবুবুল আলমকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আরও খবর