র‌্যাবের গুলিতে পা হারিয়ে দেশ এবং দেশের বাইরে আলোচনায় আসা সেই লিমন হোসেন বিয়ে করেছেন। যশোরের অভয়নগর উপজেলার সরখোলা গ্রামের জাহিদুল ইসলাম টিটোর বড় মেয়ে রাবেয়া বসরীর (১৯) সাথে তিনি বিয়ে বন্ধনের আবদ্ধ হন। বিয়ের অনুষ্ঠানে লিমন হোসেনের বাবা-মা ও নিকট আত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বের) দুপুরে কনের বাড়িতে দুই লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে সম্পন্ন হয়।

লিমন হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বাবা-মায়ের পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করেছি। আবার নতুন করে জীবন শুরু করতে হবে। আমার শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কথা জেনেও রাবেয়া বসরী আমাকে মনে-প্রাণে মেনে নিয়েছে।

লিমন হোসেন ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া গ্রামের তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে। ২০১১ সালের ২৩ মার্চ বাড়ির কাছের মাঠে গরু আনতে গিয়ে র‍্যাবের গুলিতে আহত হন কলেজছাত্র লিমন হোসেন। উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে তার বাম পা হাঁটু থেকে কেটে ফেলতে হয়। এতে চিরতরে পঙ্গু হয়ে যান লিমন।

২০১৩ সালে পিরোজপুরের কাউখালী কাঁঠালিয়া পিজিএস বহুমুখী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন লিমন। ২০১৮ সালে ঢাকা সাভারে গণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করার পর কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।

২০২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে শিক্ষা সহকারী পদে যোগ দেওয়া লিমন চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগের সহকারী প্রভাষক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন।

আরও খবর