প্রথম ছয় ম্যাচের সবগুলো জিতে ২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দক্ষিণ মহাদেশের পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে ছিল ব্রাজিল। সান্তিয়াগোয় আজ নিজেদের সপ্তম ম্যাচে চিলির মুখোমুখি হয় তিতের দল। প্রতিপক্ষের মাঠে ১-০ গোলের জয়ে বাছাইপর্বে শতভাগ জয়ের ধারা বজায় রাখলেন নেইমার-কাসেমিরোরা।

ম্যাচের ৬৪ মিনিটে ব্রাজিলের হয়ে গোল করেন এভারতন রিবেইরো। তখনই জয় একরকম নিশ্চিত হয়ে যায় ব্রাজিলের। তিতে কোচ হয়ে আসার পর কোনো ম্যাচে ব্রাজিল এগিয়ে যাওয়ার পর কখনো হারেনি।

শেষ পর্যন্ত এভারতনের গোল পুঁজি করেই জয় তুলে নেয় ব্রাজিল। ৭ ম্যাচের সবগুলো জিতে মোট ২১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষেই রইলেন নেইমার-কাসেমিরোরা। ৭ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আর্জেন্টিনা, তাদের সমান ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তিনে ইকুয়েডর। ৭ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে চারে উরুগুয়ে।

চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোয় ম্যাচের প্রথমার্ধে ব্রাজিল তেমন ভালো খেলতে পারেনি। চিলি বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ নষ্ট করে। ৪৫ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বদলি হয়ে মাঠে নামা এভারতন সুযোগসন্ধানী শটে গোলটি করেন।

ডান প্রান্ত থেকে আক্রমণে উঠেছিল ব্রাজিল। বক্সে ক্রস পান নেইমার। তাঁর শট রুখে দেন চিলি গোলকিপার ক্লদিও ব্রাভো। ফিরতি বলে নেওয়া শটে গোল পান এভারতন।

প্রথমার্ধের তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধে বেশি শরীরনির্ভর ফুটবল খেলেছে দুই দল। প্রথমার্ধে দুই দল ৮টি করে ফাউল করেছিল। বিরতির পর ১১টি করে! অর্থাৎ গোটা ম্যাচে সমান ১৯টি করে ফাউল করেছে দুই দল। ম্যাচে মোট ফাউলসংখ্যা ৩৮। মোট ১২টি শট নেওয়া চিলি গোলপোস্টে রাখতে পেরেছে ৩টি শট। ব্রাজিল ১০টি শট নিয়ে ৪টি রাখতে পেরেছে।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড়দের না পাওয়ায় এ ম্যাচে পূর্ণশক্তির দল মাঠে নামাতে পারেননি কোচ তিতে। মাঝমাঠের রক্ষণে কাসেমিরো ও আক্রমণভাগে নেইমারের পাশে গাবিগোলকে খেলান তিনি। ভিনিসিয়ুস ও লুকাস পাকেতা খেলেছেন দুই উইংয়ে।

বাছাইপর্বে এ নিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে কোনো গোল হজম না করার পাশাপাশি জয়ের মুখও দেখল ব্রাজিল। দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলের বাছাইপর্বের ইতিহাসে কোনো গোল হজম না করে এটি সর্বোচ্চসংখ্যক ম্যাচে জয় তুলে নেওয়ার কীর্তি।

আরও খবর