ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের দ্বীপরাষ্ট্র হাইতির ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩০৪ জনে দাঁড়িয়েছে। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পের ফলে দেশ জুড়ে এক মাসের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে হাইতি সরকার। কোনো কোনো ছোট শহর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী হেনরি।

শনিবার সাতসকালেই ৭.২ মাত্রার তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল হাইতি। আমেরিকার জিয়োলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, কম্পনের উৎসস্থল ছিল রাজধানী পোর্ত-অউ-প্রিন্স থেকে ১৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে, ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটার গভীরে।

উদ্ধারকারীরা জানাচ্ছেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হাইতির দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল। স্কুল থেকে হাসপাতাল, তছনছ হয়ে গিয়েছে সব কিছুই। কম্পনের উৎসস্থলের খুব কাছাকাছি থাকায় এই অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বলে। ভেঙে পড়া বহু বাড়ির নিচে অনেকে আটকে রয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হাইতির দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলেন, হাইতির ভয়াবহতা দেখে শিউরে উঠছি। সে দেশের মানুষের কাছে এটা কঠিন সময়। হাইতিকে সব রকম ভাবে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আমেরিকা।

প্রধানমন্ত্রী হেনরি সারা দেশে এক মাসের জরুরি অবস্থা জারি করলেও ভূমিকম্পে ক্ষতির প্রকৃত চিত্র সামনে না আসা পর্যন্ত তিনি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইবেন না।

২০১০ সালের ভূমিকম্পে কমপক্ষে আড়াই লক্ষ মানুষ মারা গিয়েছিল হাইতিতে। সেবার ছিল ৭ মাত্রার ভূমিকম্প। এবার ক্ষয়ক্ষতি কোথায় গিয়ে ঠেকে সেটাই ভাবাচ্ছে সবাইকে।

আরও খবর