চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১৬ নম্বর চকবাজার ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচনকে বিএনপির প্রার্থীর পাশাপাশি আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী আতঙ্কের কথা জানালে নড়ে চড়ে বসে প্রশাসনও। থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, নগর যুবলীগের সদস্য কাজী রাজেশ ইমরানের পাশাপাশি বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কায়সার লাবুও এলাকায় সন্ত্রাসীদের অবস্থান সম্পর্কে অভিযোগ তুলেছেন।

তবে প্রশাসন কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারলেও ভোটারদের নিরাপত্তার দিতে মাঠে নেমেছে। মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) দিনের বেলায় চকবাজারের আনাচে কানাচে গোয়েন্দা পুলিশের পাশাপাশি বিশেষায়িত বাহিনী সোয়াতের সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। রাতের বেলা পুলিশের বিশেষ গাড়ি বহর পুরো ওয়ার্ড এলাকায় টহল দিয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরীর শিক্ষাজোন খ্যাত চকবাজার ওয়ার্ডে আগামী ৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনে বিভিন্ন ফৌজদারী মামলার আসামিরা প্রার্থী হওয়ায় ভোটার ও সাধারণ মানুষের মাঝে চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্যাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টুর রেখে যাওয়া চেয়ারে তার স্ত্রীসহ বসতে চান ২১ জন। তাদের তিনজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, মারামারি, গৃহ ভাংচুর, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে।

মিষ্টি কুমড়া প্রতীকের প্রার্থী নুর মোস্তফা টিনু, ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুর রউফ এবং রেডিও প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ফৌজাদারি মামলা রয়েছে।

ভোটারদেরকে ভোট কেন্দ্রে এসে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। চট্টগ্রাম নগর পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার বিজয় বসাক ২১ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধির সাথে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তিনি প্রার্থীদের কোন এজেন্ট কিংবা অনুসারীরা যেন ভোট কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা না করে সে বিষয়ে হুশিয়ারি দিয়েছেন।

বিজয় বসাক বলেন, আমরা নিরপেক্ষ সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। কোন কাউন্সিলরের অনুসারী কিংবা দলীয় নেতাকর্মী নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও খবর