মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ২০ হাজার টাকা করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা এবং তারপরে যারা আছেন ১২ হাজার টাকা পান, এরপর আবার কেউ ১৫ হাজার কেউ ২০ হাজার, সেটা না করে ২০ হাজার টাকা সবাই পাবেন।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা প্রান্তে যুক্ত হয়ে মতবিনিময় করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী গাজীপুর কালিয়াকৈর, খুলনা পাইকগাছা, কুড়িগ্রাম ফুলবাড়ী, মৌলভীবাজার বড়লেখা, চাঁদপুর হাইমচরে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মতবিনিময় করেন।

গণভবন প্রান্তে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। এর আগে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টিবোর্ডের ৬৬তম সভায় অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২১ বছর পরে ১৯৯৬ সালে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে, তখন আমরা উদ্যোগ নিই জাতির কাছে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ফিরিয়ে দিতে। দুস্থ মুক্তিযোদ্ধাকে সহযোগিতার ব্যবস্থা করি। তাদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করি। যারা খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা তাদের জন্যও ভাতার ব্যবস্থা করি। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য গৃহায়ন প্রকল্পও নিয়েছি, ঘর দিচ্ছি যাতে কেউ গৃহহীন না থাকেন।

প্রসঙ্গত, সরকার যে ভাতার ব্যবস্থা করেছে সে হিসেবে শহীদ পরিবার পাচ্ছেন ৩০ হাজার টাকা, নিহত যুদ্ধাহত পরিবার ২৫ হাজার টাকা, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ পরিবার মাসিক ৩৫ হাজার টাকা পান। বীর উত্তম খেতাবধারীরা মাসিক ২৫ হাজার টাকা, বীর বিক্রম ২০ হাজার টাকা এবং বীর প্রতীক ১৫ হাজার টাকা।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী বীর বিক্রম, বীর প্রতীক ও মুক্তযোদ্ধা সবাই ২০ হাজার টাকা করে পাবেন। অন্য তিন ক্যাটাগরি যেভাবে আছে কোন সিদ্ধান্ত না হলে সেভাবেই থাকবে।

আরও খবর