নিজস্ব প্রতিবেদক:

মিয়ানমারের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন করে রোহিঙ্গাদের স্রোত আসার আশঙ্কায় বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। পাশাপাশি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করার চলমান প্রক্রিয়ায় অগ্রগতির লক্ষ্যে ঢাকা মিয়ানমারের সাথে আলোচনা অব্যাহত রাখতে চায়। খবর- বাসস

বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, আমাদের কিছু বন্ধু-রাষ্ট্র আশঙ্কা করছে যে, (সেনাবাহিনী মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করায়) সেখানে বসবাসরত রোহিঙ্গারা রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসতে পারে। তবে আমরা মনে করি রোহিঙ্গাদের স্রোত আর আসবে না।

গত ১৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ, চীন ও মিয়ানমারের সচিব পর্যায়ের ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরুর করার ব্যাপারে আরো আলোচনার জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের পর দেশটির সাথে যোগাযোগ করতে না পারায় পূর্ব-নির্ধারিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকটি এখনো নিশ্চিত হয়নি।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে রাখাইন থেকে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় আশ্রয় দেয়া হয়েছে। এদের অধিকাংশই ২০১৭ সালের আগস্ট মাস থেকে এখানে এসেছে। জাতিসংঘ এই ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধনের প্রকৃষ্ট উদাহরণ’ এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলো ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

গত তিন বছরে মিয়ানমার একজন রোহিঙ্গাকেও ফিরিয়ে নেয়নি। রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গারা তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে আস্থা না থাকায়, দুই বার তাদের প্রত্যাবাসনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

চট্টগ্রাম বার্তা/উম্মে ফারিহা

আরও খবর