সনাতন ধর্মের প্রবক্তা ও প্রাণপুরুষ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সোমবার জন্মতিথি, শুভ জন্মাষ্টমী। সারা দেশে উদযাপন হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব, পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি তথা শুভ জন্মাষ্টমী। করোনাকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এবছরও ঘরোয়াভাবে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। সমাবেশ, শোভাযাত্রা ও ভক্তদের আমন্ত্রণ ছাড়াই মন্দির প্রাঙ্গণের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান।

গতকাল রোববার এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, প্রায় সাড়ে ৫ হাজার বছর আগে দ্বাপর যুগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথির এই দিনে হিন্দুধর্মের প্রবর্তক ও মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভূত হন। অত্যাচারী ও দুর্জনের বিরুদ্ধে শান্তিপ্রিয় সাধুজনের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কংসের কারাগারে দেবকীর গর্ভে জন্ম নেন তিনি। শিষ্টের পালন আর দুষ্টের দমনে শ্রীকৃষ্ণ ব্রতী ছিলেন।

শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে প্রতিবছর বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায় বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকে। তবে বৈশ্বিক করোনা মহামারির কারণে গত গেল বছরের মতো এবারও সীমিত পরিসরে ও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিশেষ এ দিনটিতে উপবাস, পূজা-অর্চনা ও নামকীর্তনসহ বিভিন্ন আচার-উপাচার পালন করবেন। এছাড়া ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন হবে।

এ উপলক্ষে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রতিবছরের মতো এবারও জন্মাষ্টমী উদযাপন ঘিরে কেন্দ্রীয়ভাবে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নানা কর্মসূচি নিয়েছে। রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, ইসকনসহ বিভিন্ন মন্দিরে অনুষ্ঠানাদির আয়োজন করা হয়েছে।

শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি।

আরও খবর