উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
চট্টগ্রাম, সিএন্ডবি (কালুরঘাট-আরাকান রোড): বকেয়া বেতন ও বিভিন্ন ভাতা পরিশোধের দাবিতে চট্টগ্রামের সিএন্ডবি এলাকায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক যানজট ও ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। পরে প্রশাসন ও মালিকপক্ষের আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।বিক্ষোভের সূত্রপাতস্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজিম গ্রুপের কয়েকটি গার্মেন্টস কারখানার শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া বেতন, ওভারটাইম এবং বিভিন্ন ভাতা না পাওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।গতকাল সকাল থেকেই শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে সিএন্ডবি মোড় এলাকায় অবস্থান নেন এবং এক পর্যায়ে আরাকান রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।শ্রমিকদের অভিযোগ,কয়েক মাসের বেতন বকেয়া রয়েছেওভারটাইমের টাকা নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে নাবিভিন্ন ভাতা পরিশোধে গড়িমসি করা হচ্ছেদাবি জানালে চাকরি হারানোর ভয় দেখানো হয়সড়ক অবরোধ ও জনভোগান্তিবিক্ষোভের কারণে সিএন্ডবি মোড় থেকে কালুরঘাট ও আরাকান রোডে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়অফিসগামী মানুষ, যাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ি আটকে পড়েআশপাশের শিল্পাঞ্চলে পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাহত হয়সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপপরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শিল্প পুলিশ ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।তারা শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।এক পর্যায়ে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হলেও পরে তা বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নেয়নি। মালিকপক্ষের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহারদীর্ঘ আলোচনার পর কারখানা মালিকপক্ষ শ্রমিকদের দাবি পূরণের আশ্বাস দেয়।এরপর বিকেলের দিকে শ্রমিকরা ধীরে ধীরে সড়ক অবরোধ তুলে নেন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে।বর্তমান অবস্থাসর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী—সিএন্ডবি–আরাকান রোডে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছেপুলিশ ও শিল্প পুলিশ এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেশ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে আলোচনা চলমানপরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও নজরদারি অব্যাহত রয়েছেশেষ পরিস্থিতিশ্রমিকরা জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না হলে তারা আবারও আন্দোলনে নামবেন।বকেয়া বেতনকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই শ্রমিক আন্দোলন কিছু সময়ের জন্য পুরো সিএন্ডবি এলাকার যান চলাচল অচল করে দিলেও শেষ পর্যন্ত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।