উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (KNF) জন্য ২০ হাজার পোশাক তৈরির মামলায় হাইকোর্টের এক চাঞ্চল্যকর জামিন জালিয়াতির ঘটনা সামনে এসেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ অফিসার জাকির হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।ঘটনার মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:জালিয়াতির ধরন: মামলার প্রধান আসামি সাহেদুল ইসলাম (রিংভো অ্যাপারেলসের মালিক) তথ্য গোপন করে হাইকোর্ট থেকে একটি জামিন আদেশ পান। এরপর সেই আদেশে বিচারপতির স্বাক্ষরের পর অত্যন্ত সুকৌশলে মামলার নম্বর ও থানার নাম বদলে ফেলে একটি ভুয়া জামিন আদেশ তৈরি করা হয়।কারামুক্তি: এই জাল করা আদেশের মাধ্যমেই সাহেদুল ইসলাম প্রায় সাত মাস আগে কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে যান।যেভাবে ধরা পড়ল: সম্প্রতি একই মামলার অন্য এক আসামির জামিন শুনানির সময় আইনজীবীরা সাহেদুল ইসলামের জামিন পাওয়ার উদাহরণ (নজির) টানলে আদালত ও রাষ্ট্রপক্ষের সন্দেহ হয়। পরে নথি যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায় আদালতের মূল রেকর্ডের সাথে সেই জামিন আদেশের কোনো মিল নেই।প্রধান বিচারপতির পদক্ষেপ: বিষয়টি জানার পর প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্তের নির্দেশ দেন। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।তদন্ত ও বরখাস্ত: প্রাথমিক তদন্তে সম্পৃক্ততা পাওয়ায় বেঞ্চ অফিসার জাকির হোসেনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, আদালতের অভ্যন্তরীণ কোনো বড় চক্র এই সুপরিকল্পিত জালিয়াতির পেছনে কাজ করেছে।এই ঘটনাটি বিচার বিভাগের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে, যার ফলে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এখন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।