নরসিংদীতে একটি মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে এক টেক্সটাইল মিলের কেয়ারটেকারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ঘটনাটি এভাবে ঘটেছে—
নিহত ব্যক্তি মো. মুজিবুর রহমান (৫৫), যিনি নরসিংদীর মাধবদী এলাকার একটি টেক্সটাইল মিলে কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করতেন। নরসিংদী-মাধবদী আঞ্চলিক সড়কের পাঁচ নম্বর ব্রিজ এলাকায় সোমবার (২০ এপ্রিল) গভীর রাতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, তিনি কাজ শেষে নরসিংদী থেকে মাধবদীতে ফিরছিলেন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতরভাবে আঘাত করে।
হামলার পর দুর্বৃত্তরা তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও স্বর্ণের আংটি ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে সড়কের পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে এক সিএনজি চালক স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। বিশেষ করে যে সিএনজি চালক তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে, তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে—কারণ তার মাধ্যমে ঘটনার বিস্তারিত জানা যেতে পারে।
এই হত্যাকাণ্ডটি মূলত ছিনতাই বা লুটপাটের উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
সিটিজি বার্তা
 (800 x 200 px)_20260411_203554_0000.png)
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
নরসিংদীতে একটি মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে এক টেক্সটাইল মিলের কেয়ারটেকারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ঘটনাটি এভাবে ঘটেছে—
নিহত ব্যক্তি মো. মুজিবুর রহমান (৫৫), যিনি নরসিংদীর মাধবদী এলাকার একটি টেক্সটাইল মিলে কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করতেন। নরসিংদী-মাধবদী আঞ্চলিক সড়কের পাঁচ নম্বর ব্রিজ এলাকায় সোমবার (২০ এপ্রিল) গভীর রাতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, তিনি কাজ শেষে নরসিংদী থেকে মাধবদীতে ফিরছিলেন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতরভাবে আঘাত করে।
হামলার পর দুর্বৃত্তরা তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও স্বর্ণের আংটি ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে সড়কের পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে এক সিএনজি চালক স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। বিশেষ করে যে সিএনজি চালক তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে, তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে—কারণ তার মাধ্যমে ঘটনার বিস্তারিত জানা যেতে পারে।
এই হত্যাকাণ্ডটি মূলত ছিনতাই বা লুটপাটের উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
সিটিজি বার্তা
 (800 x 200 px)_20260411_203554_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন