শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
সিটিজি বার্তা

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলাদেশ, আতঙ্কে মানুষ


PRINCE DEY
PRINCE DEY
প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলাদেশ, আতঙ্কে মানুষ

আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) সকালে হঠাৎ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশ-এর বিভিন্ন এলাকা। ভোরের দিকে এই কম্পন অনুভূত হওয়ায় অনেক মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ঘর থেকে বের হয়ে আসেন।

আবহাওয়া ও ভূতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ সূত্রে জানা গেছে, সকাল আনুমানিক ৬টা ২৯ মিনিটে এই ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল প্রায় ৫.০ থেকে ৫.২, যা মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত।

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারত-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী অঞ্চল, বিশেষ করে মণিপুর ও সাগাইং অঞ্চল এলাকায়। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ৬০ থেকে ১০০ কিলোমিটার, ফলে এর প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম ছিল।

রাজধানী ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, সিলেট এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি কম্পন অনুভূত হয়। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই কম্পনে ঘুমন্ত মানুষ জেগে ওঠেন এবং অনেকে নিরাপদ স্থানে চলে যান।

এখন পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের কাছাকাছি হওয়ায় এমন কম্পন ভবিষ্যতের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মিয়ানমার ও উত্তর-পূর্ব ভারত অঞ্চলে ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হওয়া স্বাভাবিক।

তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতি না হলেও এই ভূমিকম্প আবারও মনে করিয়ে দিল—প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার বিকল্প নেই।


সিটিজি বার্তা

আপনার মতামত লিখুন

সিটিজি বার্তা

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলাদেশ, আতঙ্কে মানুষ

প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) সকালে হঠাৎ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশ-এর বিভিন্ন এলাকা। ভোরের দিকে এই কম্পন অনুভূত হওয়ায় অনেক মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ঘর থেকে বের হয়ে আসেন।

আবহাওয়া ও ভূতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ সূত্রে জানা গেছে, সকাল আনুমানিক ৬টা ২৯ মিনিটে এই ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল প্রায় ৫.০ থেকে ৫.২, যা মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত।

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারত-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী অঞ্চল, বিশেষ করে মণিপুর ও সাগাইং অঞ্চল এলাকায়। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ৬০ থেকে ১০০ কিলোমিটার, ফলে এর প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম ছিল।

রাজধানী ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, সিলেট এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি কম্পন অনুভূত হয়। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই কম্পনে ঘুমন্ত মানুষ জেগে ওঠেন এবং অনেকে নিরাপদ স্থানে চলে যান।

এখন পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের কাছাকাছি হওয়ায় এমন কম্পন ভবিষ্যতের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মিয়ানমার ও উত্তর-পূর্ব ভারত অঞ্চলে ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হওয়া স্বাভাবিক।

তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতি না হলেও এই ভূমিকম্প আবারও মনে করিয়ে দিল—প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার বিকল্প নেই।


সিটিজি বার্তা


সিটিজি বার্তা

সম্পাদক: নুর আলম

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।