আজ (মঙ্গলবার) সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। শিক্ষা জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই পাবলিক পরীক্ষাকে ঘিরে সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছিল উৎসবমুখর ও উদ্বেগমিশ্রিত পরিবেশ। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়, সঙ্গে ছিলেন অভিভাবকরাও।
এ বছর দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট প্রায় ২০ লাখ ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে প্রায় ১৬ লাখের বেশি, মাদ্রাসা বোর্ডে দাখিলে প্রায় ৩ লাখের কাছাকাছি এবং কারিগরি বোর্ডে প্রায় দেড় লাখ পরীক্ষার্থী রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সারা দেশে প্রায় ৩ হাজার ৭০০-এর বেশি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি কেন্দ্রে কেন্দ্র সচিব, কক্ষ পরিদর্শক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ এবং বহিরাগতদের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
প্রথম দিনের পরীক্ষা ছিল বাংলা প্রথম পত্র (বা সমমানের বিষয়)। পরীক্ষা শুরু হয় সকাল ১০টায় এবং চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত। শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করে। দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নকল প্রতিরোধে সরকার বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পরীক্ষা শুরুর আগে কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক শাস্তির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
এদিকে, বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের মাঝে কিছুটা উদ্বেগ দেখা গেলেও অধিকাংশই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। পরীক্ষা শেষে অনেক শিক্ষার্থী প্রশ্ন সহজ হয়েছে বলে মত প্রকাশ করেছে, যদিও কিছু শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট প্রশ্ন নিয়ে ভিন্নমতও দিয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরে লিখিত পরীক্ষা চলবে। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
র্প্রথম দিনের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে—যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত
 (800 x 200 px)_20260411_203554_0000.png)
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
আজ (মঙ্গলবার) সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। শিক্ষা জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই পাবলিক পরীক্ষাকে ঘিরে সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছিল উৎসবমুখর ও উদ্বেগমিশ্রিত পরিবেশ। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়, সঙ্গে ছিলেন অভিভাবকরাও।
এ বছর দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট প্রায় ২০ লাখ ৭২ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে প্রায় ১৬ লাখের বেশি, মাদ্রাসা বোর্ডে দাখিলে প্রায় ৩ লাখের কাছাকাছি এবং কারিগরি বোর্ডে প্রায় দেড় লাখ পরীক্ষার্থী রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সারা দেশে প্রায় ৩ হাজার ৭০০-এর বেশি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি কেন্দ্রে কেন্দ্র সচিব, কক্ষ পরিদর্শক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ এবং বহিরাগতদের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
প্রথম দিনের পরীক্ষা ছিল বাংলা প্রথম পত্র (বা সমমানের বিষয়)। পরীক্ষা শুরু হয় সকাল ১০টায় এবং চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত। শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করে। দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নকল প্রতিরোধে সরকার বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পরীক্ষা শুরুর আগে কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক শাস্তির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
এদিকে, বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের মাঝে কিছুটা উদ্বেগ দেখা গেলেও অধিকাংশই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। পরীক্ষা শেষে অনেক শিক্ষার্থী প্রশ্ন সহজ হয়েছে বলে মত প্রকাশ করেছে, যদিও কিছু শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট প্রশ্ন নিয়ে ভিন্নমতও দিয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরে লিখিত পরীক্ষা চলবে। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
র্প্রথম দিনের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে—যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত
 (800 x 200 px)_20260411_203554_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন