মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
সিটিজি বার্তা

চট্টগ্রামে স্বস্তির বৃষ্টি তাপদাহ ভেঙে নগরজীবনে স্বস্তি, তবে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি।


প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামে স্বস্তির বৃষ্টি তাপদাহ ভেঙে নগরজীবনে স্বস্তি, তবে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি।

দীর্ঘ কয়েকদিনের তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলের দিকে হঠাৎ করেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ। প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা এই বৃষ্টিতে শহরের তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে আসে, ফলে জনজীবনে ফিরে আসে স্বস্তি।

দিনভর প্রচণ্ড রোদ আর গরমে হাঁসফাঁস করা নগরবাসী বিকেলের এই বৃষ্টিকে স্বাগত জানায় স্বস্তির নিঃশ্বাসে। অফিসফেরত মানুষ, পথচারী ও শিক্ষার্থীদের অনেকেই বৃষ্টিতে ভিজে মুহূর্তটিকে উপভোগ করতে দেখা যায়। বৃষ্টির পরপরই শহরের বিভিন্ন এলাকায় শীতল বাতাস বইতে শুরু করে, যা দীর্ঘদিনের ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে।

তবে বৃষ্টির ইতিবাচক প্রভাবের পাশাপাশি কিছু ভোগান্তিও সামনে এসেছে। নগরীর আগ্রাবাদ, বাকলিয়া, চান্দগাঁও ও হালিশহরসহ কয়েকটি নিচু এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। ফলে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল ধীরগতির হয়ে পড়ে এবং কিছু এলাকায় সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। বিশেষ করে অফিস ছুটির সময় হওয়ায় দুর্ভোগ আরও বাড়ে।

এদিকে, আবহাওয়া সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি মৌসুমি বায়ুর প্রভাব না হলেও প্রাক-বর্ষার একটি স্বাভাবিক বৃষ্টি। তারা জানান, আগামী কয়েকদিন আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং মাঝেমধ্যে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করে তাপমাত্রা কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সার্বিকভাবে, এই বৃষ্টি যেমন নগরবাসীর জন্য স্বস্তি বয়ে এনেছে, তেমনি নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বল দিকগুলোও আবার সামনে এনে দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা, যাতে ভবিষ্যতে এমন বৃষ্টিতে জনভোগান্তি কমানো যায়।

আপনার মতামত লিখুন

সিটিজি বার্তা

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


চট্টগ্রামে স্বস্তির বৃষ্টি তাপদাহ ভেঙে নগরজীবনে স্বস্তি, তবে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি।

প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দীর্ঘ কয়েকদিনের তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলের দিকে হঠাৎ করেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ। প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা এই বৃষ্টিতে শহরের তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে আসে, ফলে জনজীবনে ফিরে আসে স্বস্তি।

দিনভর প্রচণ্ড রোদ আর গরমে হাঁসফাঁস করা নগরবাসী বিকেলের এই বৃষ্টিকে স্বাগত জানায় স্বস্তির নিঃশ্বাসে। অফিসফেরত মানুষ, পথচারী ও শিক্ষার্থীদের অনেকেই বৃষ্টিতে ভিজে মুহূর্তটিকে উপভোগ করতে দেখা যায়। বৃষ্টির পরপরই শহরের বিভিন্ন এলাকায় শীতল বাতাস বইতে শুরু করে, যা দীর্ঘদিনের ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে।

তবে বৃষ্টির ইতিবাচক প্রভাবের পাশাপাশি কিছু ভোগান্তিও সামনে এসেছে। নগরীর আগ্রাবাদ, বাকলিয়া, চান্দগাঁও ও হালিশহরসহ কয়েকটি নিচু এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। ফলে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল ধীরগতির হয়ে পড়ে এবং কিছু এলাকায় সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। বিশেষ করে অফিস ছুটির সময় হওয়ায় দুর্ভোগ আরও বাড়ে।

এদিকে, আবহাওয়া সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি মৌসুমি বায়ুর প্রভাব না হলেও প্রাক-বর্ষার একটি স্বাভাবিক বৃষ্টি। তারা জানান, আগামী কয়েকদিন আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং মাঝেমধ্যে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করে তাপমাত্রা কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সার্বিকভাবে, এই বৃষ্টি যেমন নগরবাসীর জন্য স্বস্তি বয়ে এনেছে, তেমনি নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বল দিকগুলোও আবার সামনে এনে দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা, যাতে ভবিষ্যতে এমন বৃষ্টিতে জনভোগান্তি কমানো যায়।


সিটিজি বার্তা

সম্পাদক: নুর আলম

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।