ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি বিস্তারিত স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি নিজের এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে আনেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়ার পদত্যাগ। প্রশাসনিক পদের প্রতি কখনোই আগ্রহ ছিল না।
ঢাকা, ১১ মে ২০২৬, ব্যক্তিগত নীতি এবং শিক্ষকতা জীবনের দর্শনের কথা উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন শেহরীন আমিন ভূঁইয়া। তিনি তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি আবেগঘন ও সুস্পষ্ট বার্তা প্রদান করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত অথচ দৃঢ়ভাবে লেখেন, “I have officially resigned from my position as the Assistant Proctor at the University of Dhaka.” (আমি আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেছি)। তাঁর এই ঘোষণা মুহূর্তেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। শেহরীন আমিন ভূঁইয়া তাঁর দীর্ঘ সাত বছরের শিক্ষকতা জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে জানান, শুরু থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল কেবল পাঠদান ও গবেষণায় নিবদ্ধ থাকা। প্রশাসনিক জটিলতা বা ক্ষমতার চর্চায় তাঁর কখনোই আগ্রহ ছিল না। তিনি উল্লেখ করেন।দীর্ঘদিনের অবস্থান: গত সাত বছর ধরে শিক্ষকতা পেশায় থাকলেও প্রশাসনিক কোনো দায়ভার গ্রহণ করার ইচ্ছা তাঁর কোনোকালেই ছিল না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের আগে তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষকতা করেছেন। তিনটি ভিন্ন ও স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করলেও তিনি সবসময় নিজেকে প্রশাসনিক বলয় থেকে দূরে রাখতে চেয়েছেন।
শিক্ষকতাকে তিনি কেবল একটি পেশা নয়, বরং একটি আদর্শ হিসেবে দেখেন। তিনি তাঁর পোস্টে স্পষ্ট করেন যে, প্রশাসনিক কোনো পরিকল্পনা বা উচ্চাকাঙ্ক্ষা তাঁর ক্যারিয়ারের অংশ ছিল না। নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বা কেবল দায়িত্বের খাতিরে কোনো চেয়ারে বসে থাকার চেয়ে বরং সেখান থেকে সরে আসাকেই তিনি শ্রেয় মনে করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করা অত্যন্ত সম্মানজনক হলেও চ্যালেঞ্জিং। তাঁর এই পদত্যাগের সিদ্ধান্তের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক শিক্ষার্থী ও সহকর্মী তাঁকে শুভকামনা জানিয়েছেন। অনেকে তাঁর এই সিদ্ধান্তকে "নৈতিক অবস্থান" হিসেবেও দেখছেন।
শেহরীন আমিন ভূঁইয়া তাঁর শিক্ষকতা জীবন নিয়ে গর্বিত এবং আগামীতে নিজেকে পুরোপুরি শিক্ষা ও গবেষণার কাজে উৎসর্গ করতে চান বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁর পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছে কি না, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
শেহরীন আমিন ভূঁইয়ার এই পদক্ষেপ শিক্ষকতা পেশার প্রতি তাঁর একনিষ্ঠতা এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার প্রতি অনীহার এক বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
 (800 x 200 px)_20260411_203554_0000.png)
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি বিস্তারিত স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি নিজের এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে আনেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়ার পদত্যাগ। প্রশাসনিক পদের প্রতি কখনোই আগ্রহ ছিল না।
ঢাকা, ১১ মে ২০২৬, ব্যক্তিগত নীতি এবং শিক্ষকতা জীবনের দর্শনের কথা উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন শেহরীন আমিন ভূঁইয়া। তিনি তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি আবেগঘন ও সুস্পষ্ট বার্তা প্রদান করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত অথচ দৃঢ়ভাবে লেখেন, “I have officially resigned from my position as the Assistant Proctor at the University of Dhaka.” (আমি আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেছি)। তাঁর এই ঘোষণা মুহূর্তেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। শেহরীন আমিন ভূঁইয়া তাঁর দীর্ঘ সাত বছরের শিক্ষকতা জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে জানান, শুরু থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল কেবল পাঠদান ও গবেষণায় নিবদ্ধ থাকা। প্রশাসনিক জটিলতা বা ক্ষমতার চর্চায় তাঁর কখনোই আগ্রহ ছিল না। তিনি উল্লেখ করেন।দীর্ঘদিনের অবস্থান: গত সাত বছর ধরে শিক্ষকতা পেশায় থাকলেও প্রশাসনিক কোনো দায়ভার গ্রহণ করার ইচ্ছা তাঁর কোনোকালেই ছিল না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের আগে তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষকতা করেছেন। তিনটি ভিন্ন ও স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করলেও তিনি সবসময় নিজেকে প্রশাসনিক বলয় থেকে দূরে রাখতে চেয়েছেন।
শিক্ষকতাকে তিনি কেবল একটি পেশা নয়, বরং একটি আদর্শ হিসেবে দেখেন। তিনি তাঁর পোস্টে স্পষ্ট করেন যে, প্রশাসনিক কোনো পরিকল্পনা বা উচ্চাকাঙ্ক্ষা তাঁর ক্যারিয়ারের অংশ ছিল না। নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বা কেবল দায়িত্বের খাতিরে কোনো চেয়ারে বসে থাকার চেয়ে বরং সেখান থেকে সরে আসাকেই তিনি শ্রেয় মনে করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করা অত্যন্ত সম্মানজনক হলেও চ্যালেঞ্জিং। তাঁর এই পদত্যাগের সিদ্ধান্তের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক শিক্ষার্থী ও সহকর্মী তাঁকে শুভকামনা জানিয়েছেন। অনেকে তাঁর এই সিদ্ধান্তকে "নৈতিক অবস্থান" হিসেবেও দেখছেন।
শেহরীন আমিন ভূঁইয়া তাঁর শিক্ষকতা জীবন নিয়ে গর্বিত এবং আগামীতে নিজেকে পুরোপুরি শিক্ষা ও গবেষণার কাজে উৎসর্গ করতে চান বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁর পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছে কি না, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
শেহরীন আমিন ভূঁইয়ার এই পদক্ষেপ শিক্ষকতা পেশার প্রতি তাঁর একনিষ্ঠতা এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার প্রতি অনীহার এক বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
 (800 x 200 px)_20260411_203554_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন