মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
সিটিজি বার্তা

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২৭ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট জব্দ, চোরাচালান চক্রের সন্ধানে তদন্ত


PRINCE DEY
PRINCE DEY
প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২৭ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট জব্দ, চোরাচালান চক্রের সন্ধানে তদন্ত

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বড় ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধ অভিযানে প্রায় ২৭ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার  ভোর থেকে বিমানবন্দরের কার্গো ও ব্যাগেজ এলাকা লক্ষ্য করে বিশেষ নজরদারি শুরু করে কাস্টমস গোয়েন্দা দল। নিয়মিত তল্লাশির এক পর্যায়ে সন্দেহজনক একটি চালান চিহ্নিত করা হয়। পরে বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বিপুল পরিমাণ বিদেশি ব্র্যান্ডের সিগারেট উদ্ধার করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ২৭ লাখ টাকা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, চালানটি বৈধ পণ্যের আড়ালে অঘোষিতভাবে দেশে আনার চেষ্টা করা হচ্ছিল। তবে উন্নত স্ক্যানিং সিস্টেম ও গোয়েন্দা নজরদারির কারণে পাচারের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।

ঘটনার পরপরই জব্দকৃত সিগারেটগুলো কাস্টমস হেফাজতে নেওয়া হয় এবং সংশ্লিষ্ট চালানের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়েছে। পাশাপাশি এই চোরাচালান চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত রয়েছে তা শনাক্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ছোট পরিসরে হলেও চোরাচালানের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে বিদেশি সিগারেট, ইলেকট্রনিক পণ্য এবং মূল্যবান সামগ্রী অবৈধভাবে আনার চেষ্টা বাড়ছে।

এ বিষয়ে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলেন, “বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে যাতে কোনো ধরনের অবৈধ পণ্য দেশের ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে।”

এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান চক্রের সক্রিয়তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, এই চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের Shah Amanat International Airport দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিত, যেখানে নিয়মিতভাবে কড়া নিরাপত্তা ও কাস্টমস নজরদারি পরিচালিত

আপনার মতামত লিখুন

সিটিজি বার্তা

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২৭ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট জব্দ, চোরাচালান চক্রের সন্ধানে তদন্ত

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বড় ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধ অভিযানে প্রায় ২৭ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার  ভোর থেকে বিমানবন্দরের কার্গো ও ব্যাগেজ এলাকা লক্ষ্য করে বিশেষ নজরদারি শুরু করে কাস্টমস গোয়েন্দা দল। নিয়মিত তল্লাশির এক পর্যায়ে সন্দেহজনক একটি চালান চিহ্নিত করা হয়। পরে বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বিপুল পরিমাণ বিদেশি ব্র্যান্ডের সিগারেট উদ্ধার করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ২৭ লাখ টাকা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, চালানটি বৈধ পণ্যের আড়ালে অঘোষিতভাবে দেশে আনার চেষ্টা করা হচ্ছিল। তবে উন্নত স্ক্যানিং সিস্টেম ও গোয়েন্দা নজরদারির কারণে পাচারের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।

ঘটনার পরপরই জব্দকৃত সিগারেটগুলো কাস্টমস হেফাজতে নেওয়া হয় এবং সংশ্লিষ্ট চালানের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়েছে। পাশাপাশি এই চোরাচালান চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত রয়েছে তা শনাক্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ছোট পরিসরে হলেও চোরাচালানের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে বিদেশি সিগারেট, ইলেকট্রনিক পণ্য এবং মূল্যবান সামগ্রী অবৈধভাবে আনার চেষ্টা বাড়ছে।

এ বিষয়ে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলেন, “বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে যাতে কোনো ধরনের অবৈধ পণ্য দেশের ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে।”

এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান চক্রের সক্রিয়তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, এই চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের Shah Amanat International Airport দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিত, যেখানে নিয়মিতভাবে কড়া নিরাপত্তা ও কাস্টমস নজরদারি পরিচালিত


সিটিজি বার্তা

সম্পাদক: নুর আলম

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।