২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম (Rosatom)-এর মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভ (Alexey Likhachev) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।এই বৈঠকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি ব্যবহার ও চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা Rosatom-এর মহাপরিচালকের এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা, বিশেষ করে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার এবং চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বিদ্যুৎ প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র-এর কাজের অগ্রগতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে আলাপ হয়। রুশ পক্ষ প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারমাণবিক শক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং রাশিয়ার সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বিদ্যুৎ খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
অন্যদিকে, Rosatom-এর মহাপরিচালক বাংলাদেশকে একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
এই সাক্ষাৎকে বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্কের আরও গভীরতা এবং জ্বালানি খাতে কৌশলগত অংশীদারিত্বের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূএ: সিটিজি বার্তা
 (800 x 200 px)_20260411_203554_0000.png)
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম (Rosatom)-এর মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভ (Alexey Likhachev) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।এই বৈঠকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি ব্যবহার ও চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা Rosatom-এর মহাপরিচালকের এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা, বিশেষ করে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার এবং চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বিদ্যুৎ প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র-এর কাজের অগ্রগতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে আলাপ হয়। রুশ পক্ষ প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারমাণবিক শক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং রাশিয়ার সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বিদ্যুৎ খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
অন্যদিকে, Rosatom-এর মহাপরিচালক বাংলাদেশকে একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
এই সাক্ষাৎকে বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্কের আরও গভীরতা এবং জ্বালানি খাতে কৌশলগত অংশীদারিত্বের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূএ: সিটিজি বার্তা
 (800 x 200 px)_20260411_203554_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন