চট্টগ্রামের বন্দর এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রাম বন্দর বৌদ্ধ বিহার গতকালের শুভ বৌদ্ধ পূর্ণিমায় উৎসবমুখর ছিল। এই বিহারটি স্থানীয় বন্দর এবং এর আশপাশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
গতকাল বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে এই বিহারে যে সকল ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভোরে প্রভাত ফেরি ও পতাকা উত্তোলন: ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই ধর্মীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর একটি সংক্ষিপ্ত শান্তি শোভাযাত্রা বিহার এলাকা প্রদক্ষিণ করে।
বুদ্ধ পূজা ও সদ্ধর্ম দেশনা: বিহারের আবাসিক প্রধান ও ভিক্ষু সংঘের তত্ত্বাবধানে বুদ্ধ পূজা এবং পঞ্চশীল গ্রহণ করা হয়। ধর্মগুরুরা বুদ্ধের অহিংসা ও মৈত্রীর বাণী নিয়ে দেশনা (ধর্মীয় বক্তব্য) প্রদান করেন।
অন্নদান ও ছোয়াইং দান: পূর্ণিমা উপলক্ষে বিহারে সমবেত পুণ্যার্থীদের জন্য অন্নদান বা বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এ সময় ভক্তরা ভিক্ষু সংঘকে 'ছোয়াইং' (খাবার) দান করে পুণ্য লাভ করেন।
আলোকসজ্জা ও প্রদীপ প্রজ্বলন: সন্ধ্যার পর পুরো বিহার প্রাঙ্গণ বর্ণিল আলোকসজ্জায় সাজানো হয়। শত শত মোমবাতি ও প্রদীপ জ্বালিয়ে বিশ্বশান্তি এবং সকল প্রাণীর মঙ্গল কামনায় সমবেত প্রার্থনা করা হয়।
বন্দর এলাকার বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষ এবং বন্দর শ্রমিক-কর্মচারীদের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী পরিবারগুলো অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে এই বিহারে দিনটি উদযাপন করেছেন।
 (800 x 200 px)_20260411_203554_0000.png)
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
চট্টগ্রামের বন্দর এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রাম বন্দর বৌদ্ধ বিহার গতকালের শুভ বৌদ্ধ পূর্ণিমায় উৎসবমুখর ছিল। এই বিহারটি স্থানীয় বন্দর এবং এর আশপাশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
গতকাল বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে এই বিহারে যে সকল ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভোরে প্রভাত ফেরি ও পতাকা উত্তোলন: ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই ধর্মীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর একটি সংক্ষিপ্ত শান্তি শোভাযাত্রা বিহার এলাকা প্রদক্ষিণ করে।
বুদ্ধ পূজা ও সদ্ধর্ম দেশনা: বিহারের আবাসিক প্রধান ও ভিক্ষু সংঘের তত্ত্বাবধানে বুদ্ধ পূজা এবং পঞ্চশীল গ্রহণ করা হয়। ধর্মগুরুরা বুদ্ধের অহিংসা ও মৈত্রীর বাণী নিয়ে দেশনা (ধর্মীয় বক্তব্য) প্রদান করেন।
অন্নদান ও ছোয়াইং দান: পূর্ণিমা উপলক্ষে বিহারে সমবেত পুণ্যার্থীদের জন্য অন্নদান বা বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এ সময় ভক্তরা ভিক্ষু সংঘকে 'ছোয়াইং' (খাবার) দান করে পুণ্য লাভ করেন।
আলোকসজ্জা ও প্রদীপ প্রজ্বলন: সন্ধ্যার পর পুরো বিহার প্রাঙ্গণ বর্ণিল আলোকসজ্জায় সাজানো হয়। শত শত মোমবাতি ও প্রদীপ জ্বালিয়ে বিশ্বশান্তি এবং সকল প্রাণীর মঙ্গল কামনায় সমবেত প্রার্থনা করা হয়।
বন্দর এলাকার বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষ এবং বন্দর শ্রমিক-কর্মচারীদের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী পরিবারগুলো অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে এই বিহারে দিনটি উদযাপন করেছেন।
 (800 x 200 px)_20260411_203554_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন