ঢাকা, মে ২০২৬: ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম পরিচিত মুখ এবং ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নুসরাত তাবাসসুম (জ্যোতি) আনুষ্ঠানিকভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) গত ৪ মে, ২০২৬ তারিখে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করে সরকারি গেজেট প্রকাশ করেছে।
নুসরাত তাবাসসুম নবগঠিত রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)-এর প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। তিনি এই দলের কেন্দ্রীয় কমিটির একজন যুগ্ম আহ্বায়ক এবং এর নারী উইং ‘জাতীয় নারী শক্তি’-এর প্রধান সংগঠক। নির্বাচনী সমীকরণে তার দল এনসিপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শরিক হিসেবে সংরক্ষিত নারী আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
তার সংসদ সদস্য হওয়ার পথটি বেশ নাটকীয় ছিল। গত ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়ের মাত্র ১৯ মিনিট পর (বিকাল ৪:১৯ মিনিটে) তিনি কমিশনে পৌঁছান। দেরি হওয়ার কারণে রিটার্নিং অফিসার শুরুতে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন।
পরবর্তীতে তিনি হাইকোর্টের শরণাপন্ন হন। গত ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট তার প্রার্থিতা গ্রহণ করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেন। আদালতের এই আদেশের প্রেক্ষিতে ২ মে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং এর ধারাবাহিকতায় কমিশন তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।
তিনি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন-৪৭ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। গত ৩ মে সংসদের অন্যান্য নারী সদস্যরা শপথ নিলেও আইনি জটিলতার কারণে নুসরাতের শপথ কিছুটা পিছিয়ে যায়। গেজেট প্রকাশের পর এখন যেকোনো সময় স্পিকার তাকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
 (800 x 200 px)_20260411_203554_0000.png)
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ঢাকা, মে ২০২৬: ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম পরিচিত মুখ এবং ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নুসরাত তাবাসসুম (জ্যোতি) আনুষ্ঠানিকভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) গত ৪ মে, ২০২৬ তারিখে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করে সরকারি গেজেট প্রকাশ করেছে।
নুসরাত তাবাসসুম নবগঠিত রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)-এর প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। তিনি এই দলের কেন্দ্রীয় কমিটির একজন যুগ্ম আহ্বায়ক এবং এর নারী উইং ‘জাতীয় নারী শক্তি’-এর প্রধান সংগঠক। নির্বাচনী সমীকরণে তার দল এনসিপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শরিক হিসেবে সংরক্ষিত নারী আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
তার সংসদ সদস্য হওয়ার পথটি বেশ নাটকীয় ছিল। গত ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়ের মাত্র ১৯ মিনিট পর (বিকাল ৪:১৯ মিনিটে) তিনি কমিশনে পৌঁছান। দেরি হওয়ার কারণে রিটার্নিং অফিসার শুরুতে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন।
পরবর্তীতে তিনি হাইকোর্টের শরণাপন্ন হন। গত ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট তার প্রার্থিতা গ্রহণ করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেন। আদালতের এই আদেশের প্রেক্ষিতে ২ মে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং এর ধারাবাহিকতায় কমিশন তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।
তিনি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন-৪৭ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। গত ৩ মে সংসদের অন্যান্য নারী সদস্যরা শপথ নিলেও আইনি জটিলতার কারণে নুসরাতের শপথ কিছুটা পিছিয়ে যায়। গেজেট প্রকাশের পর এখন যেকোনো সময় স্পিকার তাকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
 (800 x 200 px)_20260411_203554_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন