মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
সিটিজি বার্তা

সীমান্তে বিজিবির ‘রেড অ্যালার্ট’: অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানে জিরো টলারেন্স ঘোষণা


প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬

সীমান্তে বিজিবির ‘রেড অ্যালার্ট’: অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানে জিরো টলারেন্স ঘোষণা

চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশের আশঙ্কা মোকাবিলায় কুড়িগ্রামের বিভিন্ন সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা (High Alert) জারি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শনিবার (৯ মে) কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)-এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কড়াকড়ির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

নিরাপত্তা জোরদার ও জিরো টলারেন্স নীতি

কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের অখণ্ডতা রক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মাদকসহ যেকোনো ধরণের চোরাচালান বন্ধে বিজিবি এখন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে লোকজনের যাতায়াত বা অনুপ্রবেশের যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে দমনে বিজিবি সদস্যরা সর্বদা সজাগ ও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

গৃহীত বিশেষ পদক্ষেপসমূহ

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কুড়িগ্রাম জেলার স্পর্শকাতর সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে ইতোমধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কয়েকগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপগুলো হলো। স্থলপথ ও দুর্গম চরাঞ্চলে বিজিবির টহল দলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। রাতের অন্ধকারে সীমান্ত পর্যবেক্ষণের জন্য নাইট ভিশন ইকুইপমেন্ট এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র ও ধরলাসহ সীমান্ত সংলগ্ন নদীপথগুলোতে বিজিবির স্পিডবোট টহল নিয়মিত করা হয়েছে যাতে জলপথে কোনো অপরাধী সীমান্ত পার হতে না পারে।

এ বিষয়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক বলেন,

"সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্কতা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা আমাদের আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি এবং যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দিতে আমরা প্রস্তুত।"

বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করা হয়েছে এবং একইসঙ্গে অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত না হওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। সীমান্তে কোনো অপরিচিত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তির আনাগোনা দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ বিওপি বা বিজিবি ক্যাম্পকে জানানোর জন্য স্থানীয়দের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত কয়েক দিনে কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য, গবাদিপশু এবং মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে, যা সীমান্ত এলাকায় চোরাকারবারিদের দমনে বিজিবির সক্রিয়তারই প্রমাণ দেয়। সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি। কুড়িগ্রাম জেলা সীমান্ত (২২ বিজিবি এলাকা)। মাদক-চোরাচালান বন্ধ ও অনুপ্রবেশ রোধ।

সূএ: সিটিজি বার্তা

আপনার মতামত লিখুন

সিটিজি বার্তা

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


সীমান্তে বিজিবির ‘রেড অ্যালার্ট’: অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানে জিরো টলারেন্স ঘোষণা

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬

featured Image

চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশের আশঙ্কা মোকাবিলায় কুড়িগ্রামের বিভিন্ন সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা (High Alert) জারি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শনিবার (৯ মে) কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)-এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কড়াকড়ির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

নিরাপত্তা জোরদার ও জিরো টলারেন্স নীতি

কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের অখণ্ডতা রক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মাদকসহ যেকোনো ধরণের চোরাচালান বন্ধে বিজিবি এখন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে লোকজনের যাতায়াত বা অনুপ্রবেশের যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে দমনে বিজিবি সদস্যরা সর্বদা সজাগ ও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

গৃহীত বিশেষ পদক্ষেপসমূহ

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কুড়িগ্রাম জেলার স্পর্শকাতর সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে ইতোমধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কয়েকগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপগুলো হলো। স্থলপথ ও দুর্গম চরাঞ্চলে বিজিবির টহল দলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। রাতের অন্ধকারে সীমান্ত পর্যবেক্ষণের জন্য নাইট ভিশন ইকুইপমেন্ট এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র ও ধরলাসহ সীমান্ত সংলগ্ন নদীপথগুলোতে বিজিবির স্পিডবোট টহল নিয়মিত করা হয়েছে যাতে জলপথে কোনো অপরাধী সীমান্ত পার হতে না পারে।

এ বিষয়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক বলেন,

"সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্কতা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা আমাদের আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি এবং যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দিতে আমরা প্রস্তুত।"

বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করা হয়েছে এবং একইসঙ্গে অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত না হওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। সীমান্তে কোনো অপরিচিত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তির আনাগোনা দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ বিওপি বা বিজিবি ক্যাম্পকে জানানোর জন্য স্থানীয়দের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত কয়েক দিনে কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য, গবাদিপশু এবং মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে, যা সীমান্ত এলাকায় চোরাকারবারিদের দমনে বিজিবির সক্রিয়তারই প্রমাণ দেয়। সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি। কুড়িগ্রাম জেলা সীমান্ত (২২ বিজিবি এলাকা)। মাদক-চোরাচালান বন্ধ ও অনুপ্রবেশ রোধ।

সূএ: সিটিজি বার্তা


সিটিজি বার্তা

সম্পাদক: নুর আলম

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।